Workshop on access to information ends

The Daily Star

MONDAY, MARCH 18, 2013

A two-day workshop on “Access to Information and Environmental Sustainability”, organised by ARTICLE 19, ended at a hotel in the capital yesterday.

The training programme was inaugurated by Tahmina Rahman, director of ARTICLE 19, Bangladesh and South Asia.
Prof Asif Nazrul, Department of Law, Dhaka University; Naved Ahmed Chowdhury, head of governance, DFID; Manjurul Ahsan Bulbul, chief editor and CEO, Boishakhi TV; Rezaul Karim Chowdhury, executive director, Coast Trust; Advocate Iqbal Kabir, lawyer, BELA; Tahmid Huq, faculty and research associate, BRAC University; Zubair Arafat, research associate, Institute of Governance Studies, BRAC University; and Hamidul Islam Hillol of BLAST provided training at the workshop.
A total of 30 participants including environmental activists, executive directors of civil society organisations, and national and grassroots journalists of print and electronic media attended the training.

Posted in Uncategorized | Leave a comment

Analysts see loopholes in consumer rights law

The Daily Star

Friday, November 16, 2012

Rights to financial services were not reflected in the act

The rights of people to various services, including the financial services, have not been reflected properly in the Consumer Rights Protection Act, said an economist yesterday.

“A lot has been put in the law regarding the rights of consumers for using goods. But the law has not focused in details on the rights of consumers in getting various services, including banking services,” said Centre for Policy Dialogue’s Executive Director Mustafizur Rahman.

He pointed to the loopholes in the law at a discussion on the use of Right to Information Act for effective enforcement of the law on consumer rights protection by the government.

Consumers Association of Bangladesh (CAB) with the support of Manusher Jonno Foundation organised the programme at the National Press Club in Dhaka.

Retired Justice Mohammed Mumtaz Uddin Ahmed said the law suffers from various limitations.

“So it requires amendment,” he said.

The law gives rights to an aggrieved consumer to file civil cases. But it is not clear how to file civil petitions and what the court fee will be, he added.

“The law should be amended to allow us to file case at an assistant judge’s court. It will be easier for consumers to file petition at such a court,” said Ahmed.

There should be no provision of court fee for filing cases to seek compensation for being deceived by businesses, he added.

Rahman of the CPD suggested the use of information technology for creating awareness of the laws to protect consumers’ rights and ensure right to information.

Zakir Hossain, executive director of Nagorik Uddyog, an NGO, called for making the Department of National Consumer Rights Protection an effective body to ensure the rights of the consumers.

He said the “right to information act” gives people the scope to ask the commerce ministry the reasons of delays in making the body effective.

Citing prices of medicine, he said the prices of medicine, including tablets, should be written on the packages.

Abdul Baten Mia, director of Department of National Consumer Rights Protection, said one of the main weaknesses of the law is that aggrieved consumers cannot directly file cases seeking justice against the businesses.

Consumers have to lodge complaints to the Department first. If the Department takes the matter into cognizance after investigation, the aggrieved person can go to court, he said.

He also said the law does not provide scope for appeal against fine.

Since April 2010, the consumer rights protection body has realised fine worth Tk 5.60 crore for reasons including food adulteration.

It also helped some complainants get compensation, he said.

Mia called upon consumers to file more complaints. “We are carrying out drives to ensure consumer rights through mobile courts. At the same time, consumers will have to file complaints to safeguard their rights,” he said.

Posted in Uncategorized | Leave a comment

Analysts see loopholes in consumer rights law

Rights to financial services were not reflected in the act
The Daily Star 16 November 2012
The rights of people to various services, including the financial services, have not been reflected properly in the Consumer Rights Protection Act, said an economist yesterday.
“A lot has been put in the law regarding the rights of consumers for using goods. But the law has not focused in details on the rights of consumers in getting various services, including banking services,” said Centre for Policy Dialogue’s Executive Director Mustafizur Rahman.
He pointed to the loopholes in the law at a discussion on the use of Right to Information Act for effective enforcement of the law on consumer rights protection by the government.
Consumers Association of Bangladesh (CAB) with the support of Manusher Jonno Foundation organised the programme at the National Press Club in Dhaka.
Retired Justice Mohammed Mumtaz Uddin Ahmed said the law suffers from various limitations.
“So it requires amendment,” he said.
The law gives rights to an aggrieved consumer to file civil cases. But it is not clear how to file civil petitions and what the court fee will be, he added.
“The law should be amended to allow us to file case at an assistant judge’s court. It will be easier for consumers to file petition at such a court,” said Ahmed.
There should be no provision of court fee for filing cases to seek compensation for being deceived by businesses, he added.
Rahman of the CPD suggested the use of information technology for creating awareness of the laws to protect consumers’ rights and ensure right to information.
Zakir Hossain, executive director of Nagorik Uddyog, an NGO, called for making the Department of National Consumer Rights Protection an effective body to ensure the rights of the consumers.
He said the “right to information act” gives people the scope to ask the commerce ministry the reasons of delays in making the body effective.
Citing prices of medicine, he said the prices of medicine, including tablets, should be written on the packages.
Abdul Baten Mia, director of Department of National Consumer Rights Protection, said one of the main weaknesses of the law is that aggrieved consumers cannot directly file cases seeking justice against the businesses.
Consumers have to lodge complaints to the Department first. If the Department takes the matter into cognizance after investigation, the aggrieved person can go to court, he said.
He also said the law does not provide scope for appeal against fine.
Since April 2010, the consumer rights protection body has realised fine worth Tk 5.60 crore for reasons including food adulteration.
It also helped some complainants get compensation, he said.
Mia called upon consumers to file more complaints. “We are carrying out drives to ensure consumer rights through mobile courts. At the same time, consumers will have to file complaints to safeguard their rights,” he said.

Posted in Uncategorized | Leave a comment

News in Prothom Alo

Following news was published in Prothom Alo

গোপনীয়তার সংস্কৃতির চেয়ে স্বচ্ছতার সংস্কৃতি কঠিন

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৮-০৯-২০১2

তথ্যদানকারীরা এখনো তথ্য গোপনের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। আর যাঁদের তথ্য দরকার, তাঁরা এখনো তথ্য চাওয়ার অধিকার সম্পর্কে সচেতন নন। কিন্তু তথ্য অধিকার শুধু জবাবদিহির ব্যাপার নয়, এটি জীবনযাত্রার উন্নয়নের হাতিয়ারও। মনে রাখতে হবে, গোপনীয়তার সংস্কৃতির চেয়ে স্বচ্ছতার সংস্কৃতি অনেক বেশি কঠিন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর শিশু একাডেমী মিলনায়তনে তথ্য ফোরাম আয়োজিত তথ্য জানার অধিকারবিষয়ক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দিয়ে বক্তারা এ ব্যাপারে সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
আলোচনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান তথ্য কমিশনার আবু তাহের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সাংবাদিকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে মন্তব্য করেন। সংবাদকর্মীদের ওপর বিশ্বাস স্থাপনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তথ্য না দেওয়ার সংস্কৃতি ১০০ বছরের, আর দেওয়ার সংস্কৃতি মাত্র তিন বছরের। তাই এখানে জড়তা রয়েছে, অভ্যস্ত হওয়ার বিষয় রয়েছে। তবে এই দু-তিন বছরে মানুষের মধ্যে তথ্য দেওয়ার যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, সেটাও বেশ ইতিবাচক।
সভাপতির বক্তব্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, গোপনীয়তার সংস্কৃতির চেয়ে স্বচ্ছতার সংস্কৃতি অনেক কঠিন। তবে নিরাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। তথ্যই ক্ষমতা। এই ক্ষমতা গুটিকয়েক ব্যক্তির কাছে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা হয়। তাই সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়নে তথ্য অধিকার নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
সেমিনারে তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম ও মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, বেসরকারি সংস্থা নিজেরা করির প্রধান নির্বাহী খুশী কবিরসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী সাইদ আহমেদ মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
সেমিনার শেষে অতিথিরা বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিনব্যাপী তথ্যমেলার উদ্বোধন করেন। মেলায় আটটি সরকারিসহ মোট ৩১টি প্রতিষ্ঠান স্টল দেয়। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে তথ্য অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য চারটি ট্রাক রাজধানীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে একটি বুথ স্থাপন করা হয়। তথ্য জানতে চাওয়ার কৌশল সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির জন্য এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হয়েছে বলে টিআইবি থেকে জানানো হয়।
মেলা উপলক্ষে স্টলগুলোতে সংগঠনের সদস্যরা তথ্য অধিকারবিষয়ক বিভিন্ন বই, লিফলেট ছাড়াও তথ্য অধিকারবিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করেন। টিআইবির ইয়েস গ্রুপ, ব্র্যাক ও নিজেরা করির কর্মীরা মেলায় তথ্য অধিকার বিষয়ে নাটক ও গানের আয়োজন করেন।

দুর্নীতিবিরোধী সমাবেশ আজ
এদিকে, ২৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষে দুর্নীতিবিরোধী সমাবেশ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে তথ্য অধিকার আন্দোলন। আজ শুক্রবার সকাল ১০টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সেখান থেকে শোভাযাত্রা বের হয়ে তা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হবে। সমাবেশ ও শোভাযাত্রা উদ্বোধন করবেন সাংবাদিক ও কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ এস এম শাজাহান।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

Feature in Prothom Alo

Following feature was published in Prothom Alo in occasion of RTK Day.

তথ্য অধিকার দিবস

জনগণ কীভাবে সহজে তথ্য পেতে পারে

সানজিদা সোবহান | তারিখ: ২৮-০৯-২০১২

২৮ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিকভাবে তথ্য জানার দিবস হিসেবে পালিত হয়। এ দিনটি বাংলাদেশেও বেসরকারি পর্যায়ে উদ্যাপন করা হয়। জনগণের তথ্য পাওয়া সহজ করার জন্য ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন গৃহীত হয়েছে। বর্তমান সরকার নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই আইনটি পাস করে, সে বছরের ১ জুলাই থেকে এর বাস্তবায়ন শুরু হয়। এ দেশের জনগণ এখন এই আইন ব্যবহার করে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধানের বলে গঠিত সংস্থা ও বিদেশি সাহায্যপ্রাপ্ত সংগঠনগুলো থেকে তাঁর প্রয়োজনীয় ও চাহিদামতো তথ্য নিতে পারবেন। তথ্য অধিকার আইনে সব সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্থাকে কর্তৃপক্ষ বলা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্যের জন্য অনুরোধ জানালে তারা তথ্য দেবে, এটাই আইনের বিধান। আইনে তথ্য দেওয়ার জন্য প্রতিটি দপ্তরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এ দেশে এখন তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তথ্য কমিশন আছে। তথ্য অধিকার আইন ব্যবহার করে যাঁরা আবেদন ও আপিল আবেদন করেও তথ্য পান না, তাঁদের অভিযোগ গ্রহণ করা ও তা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করা তথ্য কমিশনের অন্যতম মূল দায়িত্ব। অর্থাৎ, এই আইনের বলে নাগরিকদের জন্য তথ্য চাওয়া-পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূর হয়েছে এবং কেউ তথ্য পেতে ব্যর্থ হলে আপিল বা কমিশনে অভিযোগ জানিয়েও তথ্য পাওয়ার সুযোগ এই আইনে রাখা হয়েছে। কেউ তথ্য দিতে অস্বীকার করলে কমিশন তাঁর বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করতে পারে। কিছুদিন আগে তথ্য না দেওয়ার জন্য একজন কর্মকর্তাকে তথ্য কমিশন দোষী সাব্যস্ত করে জরিমানা করেছে। মোট কথা, তথ্য চাওয়া এবং পাওয়া এখন প্রত্যেক নাগরিকের আইনগত অধিকার। এই অধিকার থেকে কোনো নাগরিককে বঞ্চিত করা যাবে না।
তথ্য অধিকার ফোরাম নামের একটি নেটওয়ার্ক চার বছর ধরে তথ্য অধিকারের বিভিন্ন ইস্যুতে কাজ করছে। এই ফোরাম ২০১১ সালে তথ্য জানার অধিকার দিবসে একটি জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, জরিপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের ৪৪ দশমিক ২ শতাংশ এই আইন সম্পর্কে জানেন না। যাঁরা আইনটি সম্পর্কে জানেন, তাঁদের ১৬ দশমিক ৪ শতাংশ আইন ব্যবহার করে তথ্য চাননি। এখানে বলা ভালো, আইনে তথ্য চাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট ফরম ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। তবে ফরম পাওয়া না গেলে সাদা কাগজে তথ্যের আবেদন করার সুযোগও আইনে দেওয়া হয়েছে।
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট, তিন বছর আগে এই আইন পাস হলেও আবেদন করে আইনের নির্দিষ্ট উপায়ে তথ্য পাওয়া যায় এবং তথ্য না পেলে অভিযোগ জানানোর বিষয়ে জনসাধারণ ঠিকভাবে জানে না। এ ছাড়া কর্তৃপক্ষ বা আইন অনুসারে যারা তথ্য দিতে বাধ্য, তারা ঠিক পদ্ধতিতে তথ্য দিচ্ছে না বা দিতে পারছে না। এর কারণ এই আইনের ব্যবহার ও প্রয়োগ সম্পর্কে জনগণ ও কর্তৃপক্ষ কারোরই স্বচ্ছ ধারণা এখনো তৈরি হয়নি।
এ কথা ঠিক, বাংলাদেশে সরকারি অফিসগুলোতে তথ্য প্রদানে অনেক বাস্তব অসুবিধা আছে। যেমন তথ্য গুছিয়ে রাখার ব্যবস্থা খুবই পুরোনো। এখন পর্যন্ত অনেক তথ্য প্রদানকারী দপ্তর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারেনি। যাঁদের তথ্য দেওয়ার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের অনেকে আইন সম্পর্কে ভালোভাবে জানেন না। যাঁরা তথ্য চাইবেন, তাঁদের পক্ষ থেকেও অনেক অসুবিধা আছে। আমাদের দেশের স্বল গুশিক্ষিত জনগণের পক্ষে তথ্য আবেদন ফরম সংগ্রহ করে তা সঠিকভাবে পূরণ করে তথ্য চাওয়া একটু কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। একজন স্বল্প শিক্ষিত, খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে আয় বন্ধ রেখে একাধিক দিন তথ্য পাওয়ার জন্য দপ্তরগুলোতে যাতায়াত করা ব্যয়বহুল বটে।
তবে সমস্যাগুলো কাটানোর জন্য কিছু সহজ উপায় চালু করলে আইনের বাস্তবায়ন কোনো কঠিন ব্যাপার নয়। যেমন, প্রতিটি সরকারি দপ্তর, বিশেষত যাদের তথ্য প্রদানে আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তারা যদি নিজ উদ্যোগে নিজ দপ্তরের প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো গুছিয়ে প্রকাশের ব্যবস্থা করে, তা হলে জনগণের তথ্য পাওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। কোন তথ্যগুলো প্রকাশ করতে হবে, তা আইনেই উল্লেখ আছে। তথ্যগুলো গোপনীয় নয়, সেগুলো জনগণকে জানানো ওই দপ্তরের কাজের মধ্যেই পড়ে। বিশেষ করে সেবা, ভর্তুকি, লাইসেন্স, ত্রাণ, টেন্ডার, নিয়োগ, চুক্তি—এ-সংক্রান্ত তথ্য নিজ উদ্যোগে প্রকাশ করে জনগণের কাছে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি সংবাদমাধ্যম এবং স্থানীয় পর্যায়ে কমিউনিটি রেডিও এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। আইন অনুযায়ী, তথ্য প্রকাশ ও প্রচারের সঙ্গে আর্থিক সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে, তাই বাজেটের আগে প্রতিটি মন্ত্রণালয়, ক্ষেত্রবিশেষে দপ্তর এবং সংস্থাগুলো তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের জন্য কিছু বরাদ্দ রাখতে পারে।
ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগণের তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সহজ উপায় হচ্ছে, ইউনিয়ন তথ্যসেবাকেন্দ্রগুলোকে ব্যবহার করা। তথ্যসেবাকেন্দ্রগুলো পরিচালনার জন্য তথ্য উদ্যোক্তা তৈরি করা হয়েছে, যাঁদের কম্পিউটার পরিচালনার ন্যূনতম দক্ষতা আছে। এই তথ্য উদ্যোক্তারা ফটোকপি, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন সেবা দেওয়ার বিনিময়ে আয় করে থাকেন। একই সঙ্গে এই কেন্দ্রগুলোতে যদি ওই ইউনিয়নের সব সুযোগ-সুবিধা ও সেবা, দপ্তরওয়ারি সেবা ও তার মূল্যতালিকাসহ সব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নামের তালিকা থাকে, তবে তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে তথ্য সংগ্রহ সুবিধাজনক হবে। প্রতিটি তথ্যকেন্দ্রে অর্থের বিনিময়ে সেবা প্রদান করার পাশাপাশি আইন অনুযায়ী যেসব তথ্য বিনা মূল্যে পাওয়ার কথা, সেগুলো দিতে পারলে জনগণ উপকৃত হবে।
সরকার ২০০৯ সালের তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করেছে। কিন্তু একটি আইন প্রণয়ন করলেই যথেষ্ট নয়, এর বাস্তবায়ন এবং এর থেকে জনগণ উপকৃত হচ্ছে কি না এবং সুফল পাচ্ছে কি না, সেটাও সমান জরুরি। আইনের প্রারম্ভিক অংশে বলা আছে, ‘জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক।’ অতএব, অধিকাংশ তথ্য সহজ উপায়ে ও মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে, নইলে আইনটি জনগণের ক্ষমতায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে না। এবং এ জন্য শুধু সরকার একা নয়, যাঁরা তথ্য অধিকার নিয়ে কাজ করেন—তৃণমূল জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে সোচ্চার—তাঁরাও জনগণকে সচেতন করার দায়িত্ব নিতে পারেন।
সানজিদা সোবহান: গভর্ন্যান্স কো-অর্ডিনেটর, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
Posted in Uncategorized | Leave a comment

News from Prothom Alo

Following news was published on 24th September 2012 in Prothom Alo

প্রধান তথ্য কমিশনার হিসেবে একজন দক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ ব্যক্তি মনোনীত করতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে আরটিআই ফোরাম। আগের প্রধান তথ্য কমিশনার সম্প্রতি অবসরে গেছেন।
আরটিআই ফোরামের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অন্যতম হলো একটি স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থা। আরটিআই অ্যাক্ট, ২০০৯-কে আইনে পরিণত করে সেই অঙ্গীকার পূরণ করায় ফোরামের পক্ষ থেকে সরকারকে অভিনন্দন জানানো হয়।
তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা করায় বর্তমান সরকারের প্রশংসা করে ফোরাম বলে, আরটিআই অ্যাক্ট বাস্তবায়নে তথ্য কমিশন বড় ভূমিকা পালন করছে। আরটিআই ফোরাম চায়, আরটিআই অ্যাক্ট বাস্তবায়নে কমিশন আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশে আরটিআই অ্যাক্ট পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নে ৫৬ ব্যক্তি ও সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত একটি নেটওয়ার্কভিত্তিক সংগঠন হচ্ছে আরটিআই।

Posted in Uncategorized | Leave a comment

RTI playing important role: President

The Daily Star. 24 September 2012

 

President Zillur Rahman yesterday said access to information is people’s right and the Right to Information Act (RTI) is playing an important role in ensuring this right.

The president made the remark when outgoing Chief Information Commissioner Muhammad Zamir called on him at Bangabhaban.

Zillur Rahman praised the role of the outgoing chief information commissioner in creating public awareness about the Right to Information Act.

Zamir said each and every citizen of the country has the right to get information and the Information Commission is working to ensure the right of access to the information for all. “Rules have been framed in this regard.”

He also said a manual on the right to information has been published through combining the Right to Information Act, its rules and different questions and answers that came from different programmes.

Zamir also said some 26,000 authorities have been informed about the act and have been requested to provide information as per requirement.

Secretaries to the President Office were present on the occasion.

Posted in Uncategorized | Leave a comment